দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের ভিসা পেতে হলে এখন থেকে আবেদনকারীদের মানতে হবে নতুন আরও দুটি নিয়ম। পাশাপাশি জমা দিতে হবে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি। এই নথিপত্রের ব্যত্যয় হলে কোনোভাবেই থাই ভিসা মিলবে না। আগামী ৩১ আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন নিয়ম কার্যকর শুরু হতে যাচ্ছে।
সম্প্রতি ঢাকায় অবস্থিত থাইল্যান্ড দূতাবাস তাদের অফিশিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে এই সতর্কবার্তা ও নির্দেশনার কথা নিশ্চিত করেছে।
একই সঙ্গে পদ্ধতিগত প্রযুক্তিগত হালনাগাদের (সিস্টেম আপডেট) জন্য আগামী ৩০ আগস্ট (রোববার) ই-ভিসা আবেদন ও ফি পরিশোধের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে বলেও জানিয়েছে দূতাবাস। ওই দিন পোর্টালে নতুন কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবেন। তবে পরদিন ৩১ আগস্ট থেকে পোর্টালটি আবার আগের মতো সচল হবে।
৩১ আগস্ট অর্থাৎ ই-ভিসা পোর্টাল চালুর দিন থেকেই দূরবর্তী চাকরিজীবী (রিমোট ওয়ার্কার) ও দীর্ঘমেয়াদি অবস্থানকারীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ডেস্টিনেশন থাইল্যান্ড ভিসা (ডিটিভি) আবেদনকারীদের জন্য নতুন নিয়ম দুটি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
প্রথম নিয়মটি হলো- (১) আবেদনকারী বর্তমানে যে দেশে অবস্থান করে থাই ভিসার জন্য আবেদন করছেন, সেই দেশে তার স্থায়ী বসবাসের সঠিক ও স্বীকৃত সরকারি প্রমাণপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। (২) আবেদনকারীর নিজ দেশ কিংবা স্থায়ী বসবাসের দেশ থেকে দেওয়া হালনাগাদ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। তা অবশ্যই মূল ভাষার পাশাপাশি ইংরেজিতে অনুদিত হতে হবে।
থাই কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়েছে, নতুন বিধান কার্যকর হওয়ার পর নির্ধারিত অতিরিক্ত নথি ছাড়া যে কোনো অসম্পূর্ণ আবেদন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে এবং তা বিবেচনা করা হবে না।
আবেদনকারীদের তাই আবেদন জমা দেওয়ার আগেই অফিশিয়াল ই-ভিসা পোর্টাল থেকে প্রয়োজনীয় সব নথির তালিকা সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া দিয়েছে থাই দূতাবাস।
মূলত পর্যটন, মুক্তপেশা বা রিমোট জব এবং দীর্ঘমেয়াদি অবস্থানের ক্ষেত্রে ‘ডিটিভি’ ভিসা সম্প্রতি বিদেশি পর্যটক ও পেশাদারদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আবেদনকারীদের জাতীয় পরিচয়, নিরাপত্তা এবং অপরাধসংক্রান্ত তথ্য যাচাইপ্রক্রিয়া আরও জোরদার ও স্বচ্ছ করতেই থাই সরকার এই অতিরিক্ত নীতি গ্রহণ করেছে।
কেএম